[সর্বশেষ আপডেট: ১৮/০১/২০২৬]
আমার প্রিয় পাঠক ভাই ও বন্ধুরা! আশা করছি আপনারা সবাই বেশ ভালোই আছেন। ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম আর ফিডের দামের চিন্তায় আছেন। আমি জানি, আপনারা যারা পোল্ট্রি সেক্টরের সাথে জড়িত, তাদের এখনকার অবস্থাটা আসলে বলে বোঝানোর মতো না।সকালে বাজারে গেলে এক দাম, বিকেলে আরেক দাম। বিশেষ করে যারা নতুন করে খামার শুরু করতে চাচ্ছেন বা রানিং শেডে নতুন বাচ্চা তুলবেন, তাদের মাথায় একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে না জানি আজকে আবার ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম কত?
খামারি ভাইদের মনের কথা
আমি আমার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, অনেক নতুন খামারি ভাই শুধুমাত্র সঠিক তথ্যের অভাবে এবং সিন্ডিকেটের চক্করে পড়ে লস খেয়ে খামার বন্ধ করে দিয়েছেন।তাই আমার প্রিয় ডট কম এর আজকের এই আর্টিকেলে সেই ভুল পথে পা দিতে দেবে না। আজ আমরা একদম খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে আলোচনা করব
২০২৬ সালের আজকের বাজারে কোন কোম্পানির বাচ্চার রেট কত, কেন দাম বাড়ে বা কমে, এবং লাভের মুখ দেখতে হলে আপনাকে আসলে কী কী কৌশল খাটাতে হবে।
লেখাটি একবার মনোযোগ দিয়ে পড়ুন। কথা দিচ্ছি, এই ১০-১৫ মিনিট আপনার খুবই কাজে আসবে।
ব্রয়লার বাচ্চার দাম কেন প্রতিদিন ওঠানামা করে?
অনক খামারি ভাইরা আমাকে প্রায়ই ফোন দিয়ে বা মেসেজে জিজ্ঞেস করেন, ভাই, গতকাল রেট ছিল ৩৫ টাকা, আজ কেন ৫০ টাকা? মুরগির বাচ্চা কি শেয়ার বাজার নাকি?
আসলে ভাই, কথাটা তিতা হলেও সত্য ব্রয়লারের বাজার অনেকটা শেয়ার বাজারের মতোই ধরা যায়। এর পেছনে মূলত ৩-৪টি বড় বড় কারণ কাজ করে যা আমাদের সবারই জানা খুব জরুরি।
চাহিদা ও সরবরাহের খেলা মানে Demand & Supply
এটা হলো অর্থনীতির বেসিক নিয়ম। যখন বাজারে মুরগির মাংসের দাম ভালো থাকে তখন সব খামারিই চান নতুন ব্যাচ তুলতে। কিন্তু হ্যাচারিগুলোতে তো বাচ্চার উৎপাদন ফিক্সড।
চাইলেই তো আর মেশিনে চাপ দিলে বাচ্চা বেরিয়ে আসে না, তাই না? ডিম সেট করতে হয়, ২১ দিন অপেক্ষা করতে হয়। তাই যখন চাহিদা বাড়ে কিন্তু মাল কম থাকে, তখন ডিলাররা দাম বাড়িয়ে দেয়।
আবহাওয়া এবং ঋতু পরিবর্তন
খেয়াল করবেন, শীতকালে বাচ্চার দাম একটু বেশি থাকে। কারণ শীতে ব্রয়লার মুরগি পালন করা একটু সহজ, ওজন দ্রুত বাড়ে, আর বিয়ে-শাদী বা পিকনিকের কারণে মাংসের চাহিদাও প্রচুর থাকে।
ওদিকে আবার প্রচন্ড গরমের সময় বাচ্চার দাম কমে যায় কারণ তখন হিট স্ট্রোকে মুরগি মারা যাওয়ার ভয়ে অনেকেই বাচ্চা তুলতে চান না।
ফিড বা খাদ্যর দামের প্রভাব
২০২৫-২০২৬ সালে এসে ডলারের দাম বাড়ার কারণে ভুট্তা আর সয়াবিনের দাম আকাশছোঁয়া। আর বাচ্চা উৎপাদনের মেইন খরচটাই হলো প্যারেন্টস মুরগির খাবার (ডিম পাড়া মুরগির খাবার)। হ্যাচারি মালিকরা বলেন, ফিডের দাম বাড়লে বাচ্চার উৎপাদন খরচ বাড়ে। তাই বাধ্য হয়ে তাদের বাচ্চার দাম বাড়াতে হয়।
সিন্ডিকেট
এটা নিয়ে বেশি কিছু বলব না ভাই, আপনারা তো সবই বোঝেন। আমাদের দেশের পোল্ট্রি বাজার হাতেগোনা ৪-৫টি বড় কোম্পানির ইশারায় চলে। তারা সকালে মিটিং করে যে রেট ঠিক করে দেয়, সারা বাংলাদেশ সেই রেটেই চলে। মাঝে মাঝে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেও দাম বাড়ানো হয়।
কোন কোম্পানির বাচ্চা কিনবেন?
বাজারে তো এখন হাজারটা কোম্পানির বাচ্চা। যেমন; নারিশ, কাজী, প্যারাগন, সিপি, প্রভিটা নামের তো অভাব নেই। কিন্তু সব বাচ্চার মান কি এক? মোটেও না! গ্রেড অনুযায়ী বাচ্চা হয় A, B, C, D।
আমি পার্সোনালি কিছু কোম্পানির বাচ্চা সম্পর্কে আমার এবং আমার পরিচিত সফল খামারিদের অভিজ্ঞতা শেয়ার করছি:
নারিশ (Nourish Poultry)
বর্তমানে খামারিদের পছন্দের তালিকার ১ নম্বরে আছে নারিশ। কেন জানেন? এদের বাচ্চার FCR (Feed Conversion Ratio) খুব ভালো।
মানে অল্প খাবার খেয়ে দ্রুত ওজন আসে। আর এদের “A Grade” বাচ্চার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা মাশাল্লাহ অনেক ভালো। তবে দামটা অন্য কোম্পানির চেয়ে ১-২ টাকা বেশি থাকে।
কাজী ফার্মস (Kazi Farms)
কাজী হলো বাংলাদেশের পোল্ট্রি জগতের বস। তাদের সাপ্লাই চেইন খুব স্ট্রং, বাংলাদেশের এমন কোনো গ্রাম নেই যেখানে কাজীর ডিলার নেই।
তবে মাঝে মাঝে অভিযোগ আসে যে, তাদের বাচ্চার সাইজ ছোট-বড় মিক্স থাকে। তবুও বাচ্চার মৃত্যুহার কম হওয়ায় অনেকেই কাজীর ওপর ভরসা রাখেন।
প্যারাগন (Paragon)
দ্রুত ওজন আসার জন্য প্যারাগনের জুড়ি নেই। আপনি যদি সঠিক ম্যানেজমেন্ট বা পরিচর্যা করতে পারেন, তবে ৩০-৩২ দিনেই প্যারাগনের বাচ্চা ভালো ওজন (১.৮ – ২ কেজি) দিতে পারে।
সিপি বাংলাদেশ (CP Bangladesh):
সিপি মূলত থাইল্যান্ডের কোম্পানি। এদের বাচ্চার জাত বা স্ট্রেইন (Strain) একটু আলাদা
এদের বাচ্চার হাড় খুব শক্ত হয় এবং দেখতে বেশ নাদুসনুদুস হয়। তবে এদের বাচ্চা পালন করতে হলে বায়োসিকিউরিটি বা খামারের নিরাপত্তা খুব কড়া হতে হয়।
আমার ব্যক্তিগত পরামর্শ আমি একবার লোকাল এক হ্যাচারি থেকে কম দামে বাচ্চা কিনেছিলাম। ভাইরে ভাই! ৩৫ দিন পালার পরেও দেখি ওজন ১ কেজি ২০০ গ্রামের বেশি হয় না। শেষে আর কি করার! লস দিয়েই বিক্রি করতে হয়েছিল। তাই আমার পরামর্শ হলো সস্তার লোভে পইড়েন না।
২,১০ টাকা বেশি লাগলেও নামকরা ভালো কোম্পানির A-Grade বাচ্চা কিনবেন।
ব্রয়লার বাচ্চা কেনার সময় যে ৫টি ভুল করে ফেলি
আমরা অনেকেই শুধু ডিলারের মুখের কথায় বিশ্বাস করে বাচ্চা কিনে ফেলি। কিন্তু বাচ্চার কোয়ালিটি চেক করি না। তবে বাচ্চা কেনার সময় এই ৫টি ভুল করবেন না:
১. ওজন না মাপা
একটি সুস্থ সবল একদিনের বাচ্চার ওজন হওয়া উচিত ৩৮ থেকে ৪২ গ্রাম। বাচ্চার ওজন যদি ৩৫ গ্রামের নিচে হয়, তবে বুঝবেন সেটা দুর্বল বাচ্চা অথবা মাদার স্টকের বয়স কম ছিল। এই বাচ্চা দিয়ে আপনি কাঙ্ক্ষিত ওজন পাবেন না।
২. নাভি চেক না করা
বাচ্চা হাতে নিয়ে উল্টে তার নাভি বা পেছনের অংশ চেক করবেন। যদি দেখেন নাভি ভেজা, কালো দাগ বা ফোলা তাইলে সেই বাচ্চা নেবেন না।
নাভি কাঁচা থাকলে ওমফালাইটিস রোগ হওয়ার ১০০% সম্ভাবনা থাকে। এই বাচ্চা ৩-৪ দিন পর এমনিতেই মারা যাবে।
৩. কম দামের ফাঁদ
অনেক সময় দেখি এলাকায় মাইকিং করছে ২০ টাকায় ব্রয়লার মুরগির বাচ্চা! খবরদার ভাই! এদের ফাঁদে পড়বেন না। এগুলো সাধারণত রিজেক্টেড বা ‘C/D Grade’ বাচ্চা হয়। এদের পেছনে হাজার টাকার ওষুধ খাওয়ালেও লাভ হয় না।
৪. ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা
বাচ্চা ডেলিভারি নেওয়ার সময় দেখবেন বাচ্চার পা শুকনো বা কুঁচকানো কি না। যদি চামড়া কুঁচকানো থাকে, তার মানে পরিবহনের সময় বাচ্চা ডিহাইড্রেটেড হয়ে গেছে মানে পানিশূন্যতায় ভুগছে। এদের বাঁচাতে হলে গ্লুকোজ বা স্যালাইন পানি খাওয়াতে হবে শুরুতেই।
৫. সঠিক সময়ে বাচ্চা না ছাড়া
বাচ্চা খামারে আসার সাথে সাথেই ব্রুডারে (তাপ দেওয়ার জায়গা) ছাড়তে হয়। অনেকে দেরি করে ফেলে ফলে বাচ্চা ঠান্ডায় স্ট্রেসড হয়ে যায়।
আজকের ব্রয়লার মুরগির বাচ্চার দাম ২০২৬
অনেক তো জ্ঞান দিলাম। এবার আসি আসল কথায় দামের তালিকায়। আমি বিভিন্ন জেলার ডিলার এবং হ্যাচারি থেকে তথ্য নিয়ে ২০২৬ সালের জানুয়ারি মাসের আজকের গড় বাজার দর নিচে তুলে ধরলাম।
তবে একটা কথা মনে রাখবেন ভাই, এই দাম ফিক্সড না। এলাকাভেদে ১-২ টাকা কমবেশি হতে পারে। আবার প্রতিদিনই নতুন দাম নির্ধারিত হয় তায় এই দামেই কথা বলবেন না। এই দাম থেকে আইডিয়া নিতে পারেন মাত্র।
| কোম্পানির নাম | বাচ্চার গ্রেড | সম্ভাব্য আজকের দাম (প্রতি পিস) | মন্তব্য |
| নারিশ (Nourish) | A | ৳ ৫৪ – ৫৬ | সবথেকে বেশি চাহিদা |
| কাজী ফার্মস (Kazi Farms) | A | ৳ ৫৫ – ৫৭ | সাপ্লাই বেশি |
| প্যারাগন (Paragon) | A | ৳ ৫৪ – ৫৬ | দ্রুত ওজন বাড়ে |
| সিপি বাংলাদেশ (CP) | A | ৳ ৫৩ – ৫৫ | কোয়ালিটি ভালো |
| আফতাব (Aftab) | A | ৳ ৫২ – ৫৪ | মোটামুটি ভালো |
| প্রভিটা (Provita) | A | ৳ ৫২ – ৫৪ | অ্যাভারেজ কোয়ালিটি |
| নাহার (Nahar) | A | ৳ ৫১ – ৫৩ | চিটাগাং এলাকায় বেশি চলে |
| কোয়ালিটি (Quality) | A | ৳ ৫১ – ৫৩ | দাম কম |
| নিউ হোপ (New Hope) | A | ৳ ৫০ – ৫২ | নতুন হিসেবে ভালো |
| লোকাল/অখ্যাত হ্যাচারি | B/C | ৳ ২৫ – ৪০ | নেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ |
(বি:দ্র: এখানে শুধু ভালো মানের বা ‘A Grade’ বাচ্চার দাম দেওয়া হয়েছে। ডিলাররা অনেক সময় কমিশন রেখে এর চেয়ে ১-২ টাকা বেশি চাইতে পারে। তাই একটু দরদাম করে নেবেন।)
খামার লাভজনক করার জন্য আমার সিক্রেট টিপস
ভাইজান, শুধু বাচ্চার দাম জানলেই হবে না। খামারে লাভ করতে হইলে আপনাকে বাচ্চার সাথে সাথে ফিড এবং ম্যানেজমেন্ট নিয়েও ভাবতে হবে। ২০২৬ সালে এসে খামারে টিকে থাকতে হলে আমার এই ৩টি ফর্মুলা দেখতে পারেন:
১. সঠিক ব্রুডিং (Brooding) ম্যানেজমেন্ট:
বাচ্চা আনার পর প্রথম ৭ দিন হলো বাচ্চার জীবনের ফাউন্ডেশন। এই ৭ দিন যদি সঠিক তাপমাত্রা (প্রথম ৩ দিন ৩৩-৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস) দিতে পারেন, তবে বাচ্চার মৃত্যুহার ১% এর নিচে থাকবে। পেপার বা লিটার (মানে এই নতুন বাচ্চাদের মল) রোজ পরিবর্তন করবেন।
২. ফিডের খরচ কমানো:
এখন ফিডের বস্তার দাম প্রায় ৩৫০০-৩৭০০ টাকা। তাই শুধু রেডি ফিডের ওপর নির্ভর না করে, যদি সম্ভব হয় ভুট্টা ভাঙা বা নিজেরা মিক্সিং করে খাওয়াতে পারেন, তবে খরচ কিছুটা কমবে। আর অবশ্যই ভালো মানের ফিড দেবেন, নাহলে বাচ্চার গ্রোথ আসবে না।
৩. বাচ্চার মৃত্যুর হিসাব রাখা:
১০০০ বাচ্চার মধ্যে যদি ৩০-৪০টা মারা যায়, তবে সেটা স্বাভাবিক। কিন্তু যদি দেখেন ১০০-১৫০টা মারা যাচ্ছে, তবে বুঝবেন বাচ্চার কোয়ালিটি খারাপ অথবা আপনার ম্যানেজমেন্টে ভুল আছে। সাথে সাথে ভেটেরিনারি ডাক্তারের পরামর্শ নেবেন।
৪. বাজার বুঝে বিক্রি:
অনেকে ১ কেজি ৫০০ গ্রাম হলেই বিক্রি করে দেন, আবার অনেকে ৩ কেজি পর্যন্ত রাখেন। আমার মতে, যখন বাজারে দাম ভালো পাবেন (যেমন ১৬০ টাকা কেজি), তখন ১.৮-২ কেজিতেই বিক্রি করে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। বেশি দিন রাখলে ফিডের খরচ বেড়ে লাভের অংশ কমে যাবে।
আপনাদের প্রতি আমার অনুরোধ
প্রিয় ভাই ও বোনেরা, অনেক বকবক করলাম। আশা করি অনেক বড় এই আরটিকেলটি পড়ে আপনারা বিরক্ত হননি। আমি চেষ্টা করেছি একজন খামারি হিসেবে আমার অভিজ্ঞতা এবং বর্তমান ২০২৬ সালের বাজারের সঠিক চিত্রটা আপনাদের সামনে তুলে ধরতে।
খামার ব্যবসাটা হলো ধৈর্যের খেলা। আজ লস হয়েছে বলে কাল লাভ হবে না এমনটা ভাববেন না। আল্লাহ রিজিকের মালিক। আপনি শুধু সততার সাথে চেষ্টা করে যান, ইনশাআল্লাহ সফলতা আসবেই।
আপনি কোন কোম্পানির বাচ্চা পালন করে সবচেয়ে ভালো ফল পেয়েছেন? নিচে কমেন্ট বক্স খোলা কিন্তু
ভালো থাকবেন, সুস্থ থাকবেন এবং নিজের খামারের যত্ন নেবেন। আমার প্রিয় ডট কম-এর সাথেই থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।
FAQ
প্রশ্ন: ২০২৬ সালে আজকের ব্রয়লার বাচ্চার দাম কত?
উত্তর: ১৮ জানুয়ারি ২০২৬ এর আপডেট অনুযায়ী, কোম্পানি ও মানভেদে প্রতি পিস ব্রয়লার বাচ্চার দাম ৫০ থেকে ৫৭ টাকা।
প্রশ্ন: কোন কোম্পানির ব্রয়লার বাচ্চা সবচেয়ে ভালো?
উত্তর: বর্তমানে নারিশ (Nourish), কাজী ফার্মস (Kazi Farms) এবং প্যারাগন (Paragon) কোম্পানির ‘A Grade’ বাচ্চার মান ও চাহিদা সবচেয়ে ভালো।
প্রশ্ন: ব্রয়লার মুরগির ১ বস্তা খাবারের দাম কত?
উত্তর: কোম্পানিভেদে বর্তমানে ৫০ কেজির এক বস্তা ব্রয়লার ফিডের দাম ৩৫০০ থেকে ৩৮০০ টাকার মধ্যে।
প্রশ্ন: ১০০০ ব্রয়লার মুরগি পালতে কত টাকা লাগে?
উত্তর: বর্তমান বাজার দরে ১০০০ মুরগি পালন করে বিক্রি করা পর্যন্ত প্রায় ২ লক্ষ ২০ হাজার থেকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়।
প্রশ্ন: ব্রয়লার মুরগি কত দিনে ২ কেজি হয়?
উত্তর: উন্নত জাতের ব্রয়লার মুরগি সঠিক পরিচর্যা ও ভালো খাবার পেলে ৩০ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে ২ কেজি ওজনের হয়ে যায়।


