ইটের দাম ২০২৬ | ১০০০ ইটের দাম কত? প্রতি পিস, এক ট্রাক ও সব ধরনের ইটের বর্তমান বাজার দর
বাড়ি বানানোর প্ল্যান করছেন? তাহলে সবার আগে মাথায় আসে একটাই প্রশ্ন ইটের দাম এখন কত?
এবং সত্যি বলতে, এই প্রশ্নের উত্তর না জেনে বাজেট বানানো মানে বালির উপর ঘর বানানোর মতো। একটু হিসেব এদিক-ওদিক হলে লাখ টাকার গণ্ডগোল হয়ে যায়।
আমি নিজে কিছুদিন আগে আমার গ্রামের বাড়ি সংস্কার করেছিলাম। সেই সময় ইটের দাম জানতে গিয়ে এতো জায়গায় ঘুরাঘুরি করতে হয়েছিল যে মাথা ঘুরে গিয়েছিল। এক জায়গায় একদাম, আরেক জায়গায় আরেক দাম। কোনটা সত্যি বুঝতেই পারছিলাম না।
তাই আজকে আমি একটাই জায়গায় সব দিয়ে দিচ্ছি। ২০২৬ সালের সর্বশেষ ইটের দাম প্রতি পিস থেকে শুরু করে ১০০০ ইট, এক ট্রাক ইট, ঢাকাসহ সব বিভাগের দাম, বিভিন্ন ধরনের ইটের মূল্য সব কিছু ইনশাল্লাহ।
চলুন শুরু করি।
ইটের দাম ২০২৬ | প্রতি পিস ইটের বর্তমান দাম কত?
২০২৬ সালে বাংলাদেশে ইটের দাম একটু আগের তুলনায় বেশ বেড়ে গেছে। জ্বালানি খরচ, শ্রমিকের মজুরি আর কাঁচামালের দাম বাড়ার কারণে ইটভাটার মালিকরা দাম বাড়িয়েছেন।
আগে যে ইট ৮ থেকে ৯ টাকায় পাওয়া যেতো, সেটা এখন ১১ থেকে ১৩ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর ভালো মানের অটোমেটিক ইটের দাম তো ১৬ টাকার উপরে উঠে গেছে।
২০২৬ সালে প্রতি পিস ইটের দামের একটা সাধারণ চিত্র:
| ইটের ধরন | প্রতি পিস দাম |
|---|---|
| ১ নম্বর (Grade A) সাধারণ ইট | ১১ – ১৩ টাকা |
| ২ নম্বর (পিকেট স্পেশাল) | ৯ – ১১ টাকা |
| ৩ নম্বর (পিকেট) | ৭ – ৯ টাকা |
| অটোমেটিক মেশিন ইট | ১৪ – ১৭ টাকা |
| সিরামিক ইট (সাধারণ) | ১৬ – ২০ টাকা |
| সিরামিক ইট (প্রিমিয়াম) | ২২ – ৪৫ টাকা |
খেয়াল রাখবেন যে: একেক ভাটায় একেক রকম দাম হতে পারে মানে এলাকা এবং ইটভাটা ভেদে ৫-১০% দাম পার্থক্য হতে পারে। সো কেনার আগে স্থানীয় ভাটায় যোগাযোগ করে কিনুন।
১০০০ ইটের দাম কত ২০২৬ সালে?
বাড়ি বানাতে গেলে হাজারের হিসেবেই ইট কিনতে হয়। আর তাই একটু বেশি সতর্ক থাকতে এখানে এত খোঁজা খুজি…
বলি,২০২৬ সালে ১ নম্বর মানের ১০০০ ইটের দাম ১১,০০০ টাকা থেকে ১৩,০০০ টাকার মধ্যে।
আগে যেটা ছিলো ৮,০০০ থেকে ৯,০০০ টাকা, সেটাই এখন প্রায় ৩০-৪০% বেড়ে গেছে। তাও নিচে ইট এর মূল্য তালিকা দিলাম।
ইটের গ্রেড অনুযায়ী ১০০০ ইটের দাম:
| ইটের গ্রেড | ১০০০ ইটের দাম |
|---|---|
| ১ নম্বর ইট | ১১,০০০ – ১৩,০০০ টাকা |
| ২ নম্বর ইট | ৮,৫০০ – ১০,৫০০ টাকা |
| ৩ নম্বর ইট | ৬,৫০০ – ৮,০০০ টাকা |
| ঝামা ইট | ৫,০০০ – ৭,০০০ টাকা |
| অটোমেটিক ইট | ১৪,০০০ – ১৭,০০০ টাকা |
| সিরামিক ইট (৩ ছিদ্র) | ১৬,০০০ – ২০,০০০ টাকা |
| সিরামিক ইট (১০ ছিদ্র প্রিমিয়াম) | ২২,০০০ – ২৫,০০০ টাকা |
ভাটা থেকে সরাসরি কিনলে দাম একটু কম পড়ে। দোকান বা মিডলম্যানের কাছ থেকে কিনলে আরো ৫-১০% বেশি লাগতে পারে।
এক ট্রাক ইটের দাম কত ২০২৬?
যারা বড় নির্মাণ কাজ করছেন তারা সাধারণত ট্রাক লোড করে ইট কেনেন। এতে পরিবহন খরচ সাশ্রয় হয় এবং পাইকারি দামে কিছুটা ছাড়ও পাওয়া যায়।
ট্রাকের সাইজ অনুযায়ী ইটের পরিমাণ আলাদা হয়, তাই দামও আলাদা।
এক ট্রাক ইটের দাম ২০২৬:
- ছোট ট্রাক (১০০০ ইট): ১২,০০০ – ১৩,০০০ টাকা (পরিবহনসহ)
- মাঝারি ট্রাক (১৫০০-২০০০ ইট): ১৮,০০০ – ২৫,০০০ টাকা
- বড় ট্রাক (২০০০-২৫০০ ইট): ২৬,০০০ – ৩২,৫০০ টাকা
বড় ট্রাকে কিনলে প্রতি পিস ইটের খরচ একটু কমে আসে। তাই বাজেট থাকলে বড় লটে কেনাই ভালো মনে করি।
বিভাগওয়ারী ইটের দাম ২০২৬ বাংলাদেশ
বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ইটের দামে পার্থক্য আছে। এটা মূলত পরিবহন দূরত্ব, স্থানীয় ইটভাটার সংখ্যা এবং চাহিদার উপর নির্ভর করে।
নিচে ১ নম্বর মানের ১০০০ ইটের আনুমানিক বিভাগওয়ারী দাম দেওয়া হলো:
| বিভাগ/জেলা | ১০০০ ইটের দাম (আনুমানিক) |
|---|---|
| ঢাকা বিভাগ | ১২,০০০ – ১৩,০০০ টাকা |
| চট্টগ্রাম বিভাগ | ১২,৫০০ – ১৩,৫০০ টাকা |
| রাজশাহী বিভাগ | ১১,৫০০ – ১২,৫০০ টাকা |
| খুলনা বিভাগ | ১১,৪০০ – ১২,৫০০ টাকা |
| সিলেট বিভাগ | ১১,৭০০ – ১৩,০০০ টাকা |
| রংপুর বিভাগ | ১১,৫০০ – ১২,৮০০ টাকা |
| বরিশাল বিভাগ | ১২,৩০০ – ১৩,৫০০ টাকা |
| ময়মনসিংহ বিভাগ | ১২,১০০ – ১৩,০০০ টাকা |
ঢাকায় পরিবহন খরচ বেশি হওয়ায় দামটা একটু বেশি থাকে। অন্যদিকে রাজশাহী বা খুলনায় স্থানীয় ভাটা বেশি থাকায় দাম তুলনামূলক কম।
ইট কত প্রকার ও কি কি? কোন ইট কোন কাজে লাগে?
আমাদের অনেকেরই ধারণা নেই যে ইট এক ধরনের না। বাজারে এখন অনেক ধরনের ইট পাওয়া যায়। কোন ইট কোন কাজে ভালো সেটা না জানলে টাকা নষ্ট হবে।
১. ১ নম্বর ইট (Grade A / প্রথম শ্রেণি)
এটাই সবচেয়ে ভালো মানের। রং গাঢ় লাল, আঘাত করলে ঘটাং করে শব্দ হয়। ভাঙলে ভেতরে হালকা ছোট ছোট দানা দেখা যায়।
কোথায় ব্যবহার হয়: বাড়ির মূল কাঠামো, বাইরের দেওয়াল, ভিত্তি।
২. ২ নম্বর ইট (পিকেট স্পেশাল)
কিছুটা কম পোড়া, রঙ হালকা লাল। মাপে সামান্য গড়বড় থাকতে পারে। তবে দেওয়ালের কাজে ঠিকঠাক চলে।
কোথায় ব্যবহার হয়: ভেতরের দেওয়াল, সীমানা দেওয়াল।
৩. ৩ নম্বর ইট (পিকেট / মিঠা)
নরম, কম পোড়া। দাম কম কিন্তু মজবুত না। ভেজা মাটিতে বা গুরুত্বপূর্ণ কাঠামোতে এটা দিলে পরে ক্ষতি হতে পারে।
কোথায় ব্যবহার হয়: সাময়িক কাজ, রাস্তার মাটি ভরাট।
৪. ঝামা ইট
পোড়া ইটের টুকরা মূলত। ছাদ বা মেঝের ঢালাইয়ে এই ইটের খোয়া ব্যবহার হয়।
৫. অটোমেটিক মেশিন ইট
আধুনিক যন্ত্রে তৈরি। মাপে একদম নিখুঁত, গুণমান সামঞ্জস্যপূর্ণ। দাম বেশি কিন্তু কাজ অনেক ভালো হয়।
৬. সিরামিক ইট
সবচেয়ে উন্নত প্রযুক্তির ইট। হালকা, শক্তিশালী, তাপ কম পরিবহন করে। দাম বেশি কিন্তু আধুনিক বিল্ডিংয়ের জন্য একদম পারফেক্ট।
৭. ব্লক ইট
একটা ব্লক ইট প্রায় ৫টা সাধারণ ইটের সমান। দ্রুত কাজ হয়, তবে দেখতে একটু অন্যরকম।
ভালো ইট চেনার ৫টি সহজ উপায়
দোকানে বা ভাটায় গিয়ে কীভাবে বুঝবেন ইটটা ভালো কিনা? এই ৫টা ট্রিকস কাজে দেবে:
১. শব্দ পরীক্ষা করুন দুটো ইট একসাথে ঠুকুন। যদি ঘটাং করে ধাতব শব্দ হয়, ইট ভালো। যদি ঠুস করে ভাঙ্গা মাটির মতো শব্দ হয়, ইট নরম।
২. রং দেখুন ভালো ইটের রং একসমান গাঢ় লাল হয়। কোনো অংশে হলুদাভ বা কালো দাগ থাকলে পোড়ানো সমান হয়নি।
৩. মাপ মিলিয়ে দেখুন বাংলাদেশের স্ট্যান্ডার্ড ইটের মাপ: ২৪০ মিমি × ১১২ মিমি × ৭০ মিমি। অনেক অসাধু ভাটা মালিক মাপ ছোট করে দাম একই রাখেন। কয়েকটা ইট মেপে দেখুন।
৪. পানিতে ডুবিয়ে দেখুন ইট পানিতে ডুবিয়ে রাখুন ২৪ ঘণ্টা। পরে ওজন করুন। যদি ওজন মূল ইটের ১৫% এর বেশি বাড়ে, তাহলে ইট বেশি পানি শোষণ করছে মানে মান ভালো না।
৫. আঙুলে ঘষুন ভালো ইটে নখ দিয়ে আঁচড় দিলে দাগ পড়ে না। নরম ইটে সহজেই দাগ পড়বে।
ইটের দাম কেন বাড়ছে? আসল কারণ জানুন
অনেকেই জিজ্ঞেস করেন—কেন প্রতি বছর ইটের দাম বাড়ছে? এটার পেছনে কয়েকটা কারণ আছে।
জ্বালানি খরচ বৃদ্ধি: ইট পোড়াতে কয়লা বা পেট্রোলিয়াম লাগে। এই জ্বালানির দাম আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সাথে বাড়ে।
শ্রমিকের মজুরি বেড়েছে: ইটভাটায় কাজ করা শ্রমিকদের মজুরি গত কয়েক বছরে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
মাটির সংকট: ভালো মাটির উৎস কমে আসছে। কিছু এলাকায় মাটি আনতে হয় দূর থেকে, পরিবহন খরচ বাড়ে।
চাহিদা বৃদ্ধি: বাংলাদেশে নির্মাণ কাজ প্রতি বছর বাড়ছে। চাহিদা বাড়লে দাম বাড়বেই।
ডলারের প্রভাব: কিছু আধুনিক ইটের যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আসে। ডলারের দাম বাড়লে যন্ত্রপাতির খরচ বাড়ে, সেটার প্রভাব পড়ে ইটের দামে।
কম খরচে ভালো ইট কেনার স্মার্ট বুদ্ধি
বাজারে একটু বুদ্ধি খাটালে ইটে ভালো দাম পাওয়া সম্ভব। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে কিছু কাজের টিপস দিচ্ছি।
সরাসরি ভাটা থেকে কিনুন মিডলম্যান বাদ দিন। সরাসরি ভাটায় গিয়ে কিনলে ৫-১৫% সাশ্রয় হতে পারে। একটু দূরে গেলেও মনে রাখবেন, ১ লাখ ইটে ১৫% মানে ১৫,০০০ টাকার সাশ্রয়।
বেশি পরিমাণে কিনুন যতো বেশি কিনবেন, প্রতি পিসের দাম ততো কম পড়বে। পাড়া বা গ্রামের কয়েকজন মিলে একসাথে কিনলে পাইকারি দাম পাবেন।
সিজনের আগে কিনুন নির্মাণ মৌসুমে (শীতকাল) ইটের চাহিদা বেশি থাকায় দামও বেশি থাকে। বর্ষার পরপরই কিনলে দাম তুলনামূলক কম পাবেন।
দর কষাকষি করুন ইটের দাম সরকার নির্ধারণ করে না। দরদাম করার পুরো সুযোগ আছে। নগদ পেমেন্টে সাধারণত ভালো ছাড় পাওয়া যায়।
একাধিক ভাটার দাম জানুন একটাতেই থেমে যাবেন না। আশপাশের ৩-৪টা ভাটায় দাম জেনে তুলনা করুন। পার্থক্য দেখলে অবাক হবেন।
কত ইট লাগবে আমার বাড়িতে? সহজ হিসেব
বাড়ি বানানোর আগে একটা হিসেব না থাকলে কম-বেশি হয়ে যাবে। ইট কম কিনলে আবার কিনতে হবে, বেশি কিনলে অপচয়।
সহজ হিসেব হলো:
- ১ বর্গফুট সাধারণ দেওয়ালে (১০ ইঞ্চি পুরু): প্রায় ৯-১০ পিস ইট লাগে
- ১ বর্গফুট (৫ ইঞ্চি পুরু দেওয়াল): প্রায় ৫ পিস ইট
একটা ১০০০ বর্গফুটের বাড়ির দেওয়ালে (২-তলা) সাধারণত ৪০,০০০ থেকে ৬০,০০০ পিস ইট লাগে। চাহিদা এবং ডিজাইনের উপর এটা কমবেশি হতে পারে।
ইঞ্জিনিয়ার বা রাজমিস্ত্রিকে দিয়ে একবার হিসেব করিয়ে নিতে পারেন তাতে একটু সময় লাগবে কিন্তু পরে অনেক ঝামেলা বাঁচবে।
সিরামিক ইটের দাম ২০২৬
খেয়াল করছি সিরামিক ইট এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। বিশেষত শহরাঞ্চলে যারা উন্নত মানের নির্মাণ চান তারা এটাই বেছে নিচ্ছেন।
তাহলে সিরামিক ইটের সুবিধা কী?
- সাধারণ ইটের চেয়ে ৩০% হালকা হওয়ায় ভবনের উপর চাপ কম পড়ে
- তাপ কম পরিবহন করে তাই ঘর ঠান্ডা থাকে
- পানি কম শোষণ করে, দীর্ঘস্থায়ী হয়
- মাপে একদম নিখুঁত, কাজ দ্রুত হয়
সিরামিক ইটের দাম ২০২৬
| ধরন | প্রতি পিস | প্রতি ১০০০ পিস |
|---|---|---|
| ৩ ছিদ্র মিডিয়াম কোয়ালিটি | ১৬-১৮ টাকা | ১৬,০০০-১৮,০০০ টাকা |
| ৩ ছিদ্র প্রিমিয়াম কোয়ালিটি | ১৮-২০ টাকা | ১৮,০০০-২০,০০০ টাকা |
| ১০ ছিদ্র পিকেট ইট | ২০-২২ টাকা | ২০,০০০-২২,০০০ টাকা |
| ১০ ছিদ্র প্রিমিয়াম | ২২-২৫ টাকা | ২২,০০০-২৫,০০০ টাকা |
দাম বেশি হলেও দীর্ঘমেয়াদে সিরামিক ইট সাশ্রয়ী কারণ মেরামত কম করা লাগে।
অটোমেটিক ইটের দাম ২০২৬
মেশিনে তৈরি অটোমেটিক ইটের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। এগুলো হাতে তৈরি ইটের চেয়ে মাপে অনেক বেশি সঠিক।
২০২৬ সালে অটোমেটিক ইটের প্রতি পিস দাম ১৪ থেকে ১৭ টাকার মধ্যে এবং ১০০০ ইটে ১৪,০০০ থেকে ১৭,০০০ টাকা পড়বে।
এই ইট ব্যবহার করলে কিছু বাড়তি সুবিধা আছে সিমেন্টের ব্যবহার কমে (মাপ ঠিক বলে জয়েন্ট পাতলা হয়) এবং দেওয়াল সমান হওয়ায় পলেস্তারার খরচও কমে।
আমার প্রিয় কিছু কথা
বাড়ি বানানো মানে জীবনের সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ। আর এই বিনিয়োগে ইটই হলো আপনার বাড়ির মেরুদণ্ড।
সস্তার লোভে নিচু মানের ইট কিনলে পরে দেওয়ালে ফাটল ধরবে, স্যাঁতস্যাঁতে হবে এবং মেরামতে আরো বেশি খরচ হবে।
আমার পরামর্শ:
- একদম সস্তা খুঁজবেন না, আবার অযথা দামি কিনবেন না
- নিজে গিয়ে ভাটা থেকে কিনুন এবং ইট যাচাই করুন
- ১ নম্বর মানের ইট কিনুন মূল কাঠামোর জন্য
- ভাটা মালিকের সাথে দরদাম করুন, এটা স্বাভাবিক
মনে রাখবেন, একটু বেশি সময় দিলে এবং ভালো ইট বেছে নিলে আপনার বাড়ি আরো ৫০ বছর টিকে থাকতে পারে।
FAQ | ইটের দাম সম্পর্কিত প্রশ্নত্তর ২০২৬
প্রশ্ন ১: ২০২৬ সালে ১ নম্বর ইটের দাম কত?
উত্তর: প্রতি পিস ১১-১৩ টাকা এবং ১০০০ ইটের দাম ১১,০০০-১৩,০০০ টাকা।
প্রশ্ন ২: এক ট্রাক ইটের দাম কত?
উত্তর: ছোট ট্রাকে (১০০০ ইট) প্রায় ১৩,০০০ টাকা এবং বড় ট্রাকে (২০০০-২৫০০ ইট) ২৬,০০০-৩২,৫০০ টাকা।
প্রশ্ন ৩: সিরামিক ইটের দাম কত?
উত্তর: সিরামিক ইটের প্রতি পিস দাম ১৬-৪৫ টাকা পর্যন্ত। ধরন এবং মান ভেদে দাম আলাদা।
প্রশ্ন ৪: ইটের দাম কি কমবে?
উত্তর: জ্বালানি ও শ্রমিকের খরচ কমলে দাম কমতে পারে। তবে এই মুহূর্তে বলা কঠিন।
প্রশ্ন ৫: ভালো ইট কোথায় পাবো?
উত্তর: স্থানীয় ইটভাটায় সরাসরি যোগাযোগ করুন। অনলাইনে BDStall বা স্থানীয় বিল্ডিং ম্যাটেরিয়ালস ডিলারের সাথেও যোগাযোগ করতে পারেন।
প্রশ্ন ৬: ১ লাখ ইটের দাম কত?
উত্তর: ১ নম্বর ইটে ১ লাখ ইটের দাম আনুমানিক ১,১০,০০০ থেকে ১,৩০,০০০ টাকার মধ্যে হবে।
Content FAQ:
- ইটের দাম ২০২৬ কত?
- ১০০০ ইটের দাম কত ২০২৬?
- এক ট্রাক ইটের দাম?
- সিরামিক ইটের দাম কত?
- ঢাকায় ইটের দাম?


